স্থানীয় বাসিন্দা ও দূরদূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ঈদগাহের পরিসর বৃদ্ধি ও সৌন্দর্যবর্ধনের।
শোলাকিয়া ঈদগাহের নামকরণ নিয়েও রয়েছে নানা জনশ্রুতি। একটি মতে, মোগল আমলে এ এলাকার পরগনার রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ছিল ‘শ লাখ’ টাকা। সেখান থেকেই কালের পরিক্রমায় ‘শোলাকিয়া’ নামের উৎপত্তি। আরেকটি বর্ণনায় বলা হয়, ১৮২৮ সালে এখানে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেছিলেন। সেই থেকে ঈদগাহটি ‘শোয়ালাকিয়া’ নামে পরিচিতি পায়, যা পরে শোলাকিয়ায় রূপ নেয়। কিশোরগঞ্জের ইতিহাস-ঐতিহ্যবিষয়ক গ্রন্থেও এ দুটি বর্ণনার উল্লেখ আছে।
আগামী পবিত্র ঈদুল আজহায় শোলাকিয়া ঈদগাহে ১৯৯তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আছে।


