সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকার এয়ারপোর্ট রোর্ড চৌকিদেখি রংধনু বি ব্লকের আঙ্গুর মিয়া গলি থেকে রবিবার দুপুরে পুলিশের নাগাল থেকে মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সূত্র জানায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি জামাল সিলেট বটেশ্বর চুয়াবহর এলাকার জমসেদ আলীর ছেলে।
সিলেট মৌলভিবাজারসহ বিভিন্ন স্হানের লোকদেরকে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে সে প্রায় বিশ-পঁচিশ জন লোকের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে লাপাত্তা রয়েছে। তার এমন ফাঁদে পা দেওয়া মোহাম্মদ দেলোয়ার নামে একজন জামালের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিয়ে শাহপরান থানায় মামলা (১২২৫/২০২৩) দায়ের করলে আদালত তাকে এক বছরের বিনাশ্র কারাদণ্ড এবং বাদীকে দেওয়া চেকে উল্লেখিত টাকার পরিমান, সাত লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ তাকে খুঁজে প্রায় ব্যর্থ হলে মামালার বাদী হাল না ছেড়ে তাকে মরিয়া হয়ে খুঁজতে থাকেন। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল ১২ জুলাই রবিবার শাহপরান থানার এসআই সুব্রত’র নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম নিয়ে সিলেট এয়ারপোর্ট রোডের ওই বাসাতে গেলে, প্রথমে জামালের ছেলে পুলিশকে বাধাপ্রধানে লিপ্ত রাখে এই সুযোগে তার বাপকে (আসামি) পালাতে সহযোগিতা করে। তখন পুলিশ বাসার রুমে ঢুকতে দেরি করলে জামাল শান্তিতে পালিয়ে যায়। এদিকে মামলার বাদী পুলিশের এমন ঢিলেঢালা অভিযানে নারাজ হয়ে বলেন চাইলে প্রশাসন তাকে ধরতে পারে, আসামির ছেলে কিভাবে পুলিশকে ধমক দিয়ে কথা বলল অথচ পুলিশের কোনো ভুমিকা নেই! আমরাই আসামির লোকেশন চিন্হিত করে দিলাম এর পরও তারা তাকে ধরতে পারেননি। তিনি বলেন আমরা বেশ কজন এসময় উপস্হিত ছিলাম চোখের সামনে পালিয়েছে আসামি।
এবিষয়ে এসআই সুব্রত’র কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা বাসায় ঢুকতে ঢুকতে সে ছাদ দিয়ে পালিয়ে গেছে।
এব্যাপারে শাহপরান থানার ওসি ফেরদৌস আহমেদ জানান ধমক দেওয়ার বিষয়টি সত্য হলে ওরা আমাকে (পুলিশ) জানাতো, আমরা আসামি ধরার চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।

