জানতে চাইলে ফেনী জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সমীর কর বলেন, ‘আমি ইতিপূর্বে বিগত ৭ বছর জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। এ অবস্থায় মদ খেয়ে কোথাও কেউ মাতলামি করেছে, এ রকম মোটাদাগের কোনো ঘটনা আমার জানা নেই। ছোটখাটো কোথাও কোনো কিছু হয়ে থাকলে সেটি পূজা উদ্যাপন পরিষদে কর্মকর্তারা অবগত নয়। তবে পুলিশ সুপার যে বক্তব্যটি দিয়েছেন, সেটির সঙ্গে আমরা একমত। ফেনীতে পূজার সময় এমন ঘটনা না ঘটলেও অন্য কোনো জেলায় হয়তো ঘটে থাকতে পারে, তার আলোকে পুলিশ সুপার এমন বক্তব্য দিয়েছেন। আমরা পুলিশ সুপারের এই বক্তব্যকে স্বাগত জানাই। কারণ, পূজাকে কেন্দ্র করে কেউ অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে, সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে যদি মদ খেয়ে মাতলামির মতো এমন কোনো কর্মকাণ্ড করে থাকে, তাহলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনা উচিত।’
ফেনীর ছয় উপজেলায় এবার ১৫৩টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করা হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৬৫টি, ফুলগাজীতে ৩৪টি, সোনাগাজীতে ২৩টি, দাগনভূঞায় ১৯টি, পরশুরামে ৭টি ও ছাগলনাইয়ায় ৫টি মণ্ডপে রয়েছে। গতবারের চেয়ে এবার তিনটি পূজামণ্ডপ বেড়েছে।

