ওই কৃষকের দাবি, আলুর জমিতে ব্যবহারের জন্য সারের সংকটের আশঙ্কায় আগেভাগে এসব সার কিনে বাড়িতে রেখেছিলেন তিনি।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, কৃষক রমজানের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ সার মজুতের খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। সেখানে ৭৫ বস্তা ভর্তি ও আরও একটি বস্তার অর্ধেক সার পাওয়া যায়। যাচাই-বাছাইয়ের সময় রমজান ২১ বস্তা সারের বৈধ রসিদ দেখাতে পারেন। বাকি ৫৪ বস্তার কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় সেগুলো জব্দ করা হয়। জব্দ করা সারের মধ্যে টিএসপি ১২ বস্তা, এমওপি ২০ বস্তা, ডিএপি ১৯ বস্তা ও তিন বস্তা ইউরিয়া সার রয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মল্লিকা রানী সেহানবীশ বলেন, রমজান ২১ বস্তা সারের মেমো দেখাতে পেরেছেন। বাকি ৫৪ বস্তার কোনো মেমো দেখাতে পারেননি। তাই বৈধ মেমো থাকা সার বাদ দিয়ে বাকি সার জব্দ করা হয়েছে।

