শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের আয়োজনে এবং চাঁদপুর জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের ব্যবস্থাপনায় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পৌর পাঠাগারের কবি নজরুল মিলনায়তনে এই আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) এবং চাঁদপুর পৌর প্রশাসক মোঃ এরশাদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক সরকারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরেশ চন্দ্র মালাকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, আপনাদের অবতার এবং আমাদের পয়গম্বররদের ঘটনার বর্ননার মাধ্যমে আমাদের শিক্ষা দেয়, যে আমরা কিভাবে অত্যাচরীর বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে পারি। যখনই কোন ফেরাউনের জন্ম হয় তখনই মুসার জন্ম হয়। ঠিক এমনিভাবে যখনই কোন অতৗাচারী রাজার জন্ম হয় বা প্রতিষ্ঠিত হয় তখন সেখানে শ্রীকৃষ্ণের আর্বিভাব ঘটে। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর সকল ধর্মই আমাদের সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথ দেখায়। আমাদের সমাজে নানারকম অসঙ্গতি আছে। যেমন মাদক, কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং বাল্যবিয়ে, সন্ত্রাসসহ নানাবিধ সামাজিক অপরাধ। আমরা যদি সঠিকভাবে আমাদের ধর্মচর্চা করি তাহলে এসকল অসঙ্গতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারবো।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি নরেন্দ্র নারায়ণ চক্রবর্তী, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা, চাঁদপুর সদর পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক লক্ষণ চন্দ্র সূত্রধর সদস্য সচিব মানিক ঘোষ, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নেপাল চন্দ্র সাহা, চাঁদপুর জেলা জন্মাষ্টম উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টুটন বনিক, খোকন সাহা, বিপ্লব দাস কুট্টি, চন্দন দে, সুকান্ত দে, সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক সুত্রধর কোষাধ্যক্ষ বলাই সরকার চাঁদপুর জেলা বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রতন দাস, চাঁদপুর জেলা ইসকনের সভাপতি জগনানন্দ দাস পন্ডিত ব্রহ্মচারী, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠের অধ্যক্ষ স্বামী কৃষ্ণ সেবানন্দসহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠানে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় চার বিভাগে ১২ জন এবং গীতা শ্লোক পাঠ প্রতিযোগিতায় চার বিভাগে ১৫ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়াও প্রতিযোগিতার বিচারকদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়।
প্রতিবেদক: আশিক বিন রহিম/
৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
