| ৫ September ২০২৬ Saturday ১:০৬:৪৭ AM | |
নিজস্ব প্রতিনিধি:

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৩নং দাড়িয়াল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কাজলাকাঠী, ভুত্তারপার এলাকার শিকদার বাড়িতে মুক্তা আক্তার (আনুমানিক ২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃ/ত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত মুক্তা আক্তার বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সরসী এলাকার পাঞ্জু হাওলাদার বাড়ির মরহুম নিজাম হাওলাদারের মেজো মেয়ে। তিনি উত্তর কাজলাকাঠী এলাকার আলতাফ শিকদারের ছেলে সোহেল শিকদারের স্ত্রী। তাদের একটি সন্তান রয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাতে মুক্তা আক্তারকে নির্যাতন করা হয় এবং পরে তার মৃ/ত্যু ঘটে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও মৃত্যুর সঙ্গে কারা জড়িত-তা এখনো তদন্তের বিষয়।
ভিডিও ঘিরে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন:
এদিকে, ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে দাবি করা প্রায় এক মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটির সত্যতা ও প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ভিডিওতে মুক্তা আক্তারকে লাঠিসদৃশ কোনো বস্তু দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আ/ঘাত করা হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ভিডিওটি যদি সত্যিই মুক্তা আক্তারের মৃ/ত্যুর ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর।
ভিডিওটির সত্যতা, কখন ও কোথায় ধারণ করা হয়েছে এবং এতে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় ও ভূমিকা-সবকিছু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
পর/কীয়ার সন্দেহের কথাও এলাকায়:
মুক্তার মৃ/ত্যুর পেছনে দাম্পত্য কলহসহ বিভিন্ন কারণ নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ পর/কীয়ার সন্দেহের কারণে ঘটনা ঘটেছে বলেও ধারণা করছেন। তবে এটি এখন পর্যন্ত নিশ্চিত তথ্য নয়। তদন্তে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের কোনো দাবিকে সত্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি মুক্তা আক্তারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ দ্রুত উদঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
তাদের প্রত্যাশা, কোনো প্রভাব, অর্থ বা সুপারিশ যেন তদন্তকে প্রভাবিত করতে না পারে। ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
একই সঙ্গে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা না করে ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, চিকিৎসা ও ময়নাতদন্তের তথ্যসহ সব প্রমাণ যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা সামনে আনার দাবি জানানো হচ্ছে।
একটি পরিবারের স্বজন হারানোর পাশাপাশি একটি শিশুও তার মাকে হারিয়েছে। তাই এই ঘটনার সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মুক্তা আক্তারের মৃত্যুর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত চাই।
নারী নির্যাতনের অভিযোগের যথাযথ তদন্ত চাই।
অপরাধ প্রমাণিত হলে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ চাই।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |
