হালদা ও কর্ণফুলীর পানি থেকে মাছ—সবখানেই মাইক্রোপ্লাস্টিক, ঝুঁকি কোথায়

হালদা ও কর্ণফুলীর পানি থেকে মাছ—সবখানেই মাইক্রোপ্লাস্টিক, ঝুঁকি কোথায়

গবেষকেরা বলছেন, মাইক্রোপ্লাস্টিকের জন্ম নদীতে নয়। নদী কেবল এর শেষ আশ্রয়। প্রকৃত উৎস ছড়িয়ে আছে নগর, শিল্পাঞ্চল, খাল-নালা, নর্দমা, বন্দর, বাজার এবং মানুষের প্রতিদিনের জীবনযাত্রায়। একটি প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের মোড়ক, সিনথেটিক কাপড়ের তন্তু কিংবা মাছ ধরার জালের সুতা—ব্যবহার শেষে যেগুলো যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করা হয় না, সেগুলোর বড় অংশই শেষ পর্যন্ত নদীতে এসে পৌঁছায়।

চট্টগ্রাম নগরের খাল গিয়ে মিশেছে কর্ণফুলী নদীতে। ফলে নগরের নালা-নর্দমা ও খাল দিয়ে বয়ে আসা বর্জ্যের বড় অংশের শেষ গন্তব্য এই নদী। এর দুই তীরে রয়েছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর, ইপিজেড, জাহাজ মেরামত কারখানা, টেক্সটাইল, রাসায়নিক, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসহ অসংখ্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান। প্রতিদিনের নগরজীবন ও শিল্পকারখানার কার্যক্রম মিলিয়ে কর্ণফুলীর ওপর তৈরি হয়েছে এক বহুমাত্রিক দূষণের চাপ।

কর্ণফুলী নদী নিয়ে প্রকাশিত গবেষণায় সম্ভাব্য পাঁচটি প্রধান উৎসের কথা বলা হয়েছে। এগুলো হলো শিল্পকারখানার বর্জ্য, নগরের প্লাস্টিক বর্জ্য, অপরিশোধিত নর্দমার পানি, জাহাজ চলাচল এবং মাছ ধরার জাল ও অন্যান্য মৎস্য সরঞ্জাম। গবেষণায় নদীতে যে ধরনের প্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে এসব উৎসের সরাসরি মিল পাওয়া যায়। সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে পানির বোতল, খাদ্যপ্যাকেজিং, সিনথেটিক বস্ত্র, সিগারেটের ফিল্টার ও গৃহস্থালি প্লাস্টিকজাত পণ্যে ব্যবহৃত উপাদান।

Explore More Districts