বিদ্যুৎকেন্দ্র না চলায় সঞ্চালনের আয় কমে
বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে নিয়ে বিতরণ সংস্থার কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিবি) পিএলএসি। লোকসান ঠেকাতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ সঞ্চালনের চার্জ ১৮ পয়সা বাড়ানোর দাবি করেছে তারা। এটি প্রায় ১৪ পয়সা বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে বিইআরসির কারিগরি কমিটি। তবে পিজিবি পিএলসির কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ভোক্তারা।
পিজিবি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রশীদ বলেন, বিতরণ সংস্থার চাহিদার ওপর ভিত্তি করে আর নতুন নির্মিত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ নিতে প্রকল্প তৈরি করা হয়। পায়রা থেকে একটা নতুন লাইন করায় চাপ আছে, ১০০ কোটি ডলার খরচ হবে। মাতারবাড়ি থেকে আরেকটা প্রকল্প করার চাপ আছে। পিজিবি নিজ থেকে প্রকল্প করে না। প্রতিনিয়ত পিডিবির থেকে চাহিদা আসতেই থাকে। অথচ বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রায়ই বন্ধ থাকে। এতে সঞ্চালন লাইন অব্যবহৃত পড়ে থাকে; আয় কমে পিজিবির।
এর জবাবে ভোক্তা প্রতিনিধি শুভ কিবরিয়া বলেন, পিজিবি হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছে কার অনুমতিতে। প্রকল্প অনুমোদনের আগে বিইআরসিকে জানানোর কথা, সেটা জানানো হয়নি। তাহলে কেন এ দায় ভোক্তা নেবে।
প্রথম দিনের শুনানি শেষে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, পাওয়ার গ্রিডের চলমান সব প্রকল্পের ব্যয় হিসাবে নেওয়া হয়নি। যতটুকু খরচ হয়েছে, ততটুকুই হিসাবে নেওয়া হয়েছে। সবার অংশগ্রহণ শুনানিকে ফলপ্রসূ করেছে। কাল খুচরা দামের শুনানি হবে। এরপরও কেউ চাইলে লিখিত মতামত দিতে পারবে। সবার মতামত ও বক্তব্য বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।

