ঘরে বসেই জমজমাট কেনাকাটা

ঘরে বসেই জমজমাট কেনাকাটা

বর্তমানে দেশের ছোট-বড় প্রায় সব ফ্যাশন ব্র্যান্ড, ইলেকট্রনিক সামগ্রী থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সুপারশপগুলোর রয়েছে নিজস্ব ওয়েবসাইট বা স্মার্টফোন অ্যাপ। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম-ভিত্তিক হাজারো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঈদকে কেন্দ্র করে সাজিয়েছেন তাঁদের ভার্চ্যুয়াল পসরা। শাড়ি, পাঞ্জাবি, সালোয়ার-কামিজ, শিশুদের পোশাক, জুতা, গয়না, প্রসাধনী এবং ঘর সাজানোর নানা সামগ্রী—সবই এখন মিলছে হাতের মুঠোয়, মাত্র একটি ক্লিকেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে গত মার্চ মাস পর্যন্ত আট মাসে ১৭ হাজার কোটি টাকার বেশি ই–কমার্সে লেনদেন হয়েছে। 

২০২৬ সালের ই-কমার্সে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু নতুন প্রযুক্তিগত সুবিধা। এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ক্রেতার পছন্দ অনুযায়ী পণ্য প্রদর্শন, ভার্চ্যুয়াল ট্রায়াল রুম এবং থ্রিডি ভিউয়ের মাধ্যমে পণ্য যাচাই করার সুযোগ থাকায় দোকানে গিয়ে কেনাকাটার প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমে গেছে। ক্রেতারা এখন বাসায় বসেই পরিবারের সবাইকে নিয়ে স্ক্রিনে পণ্য দেখে, দাম যাচাই করে অর্ডার চূড়ান্ত করতে পারছেন। এ ছাড়া দ্রুততম সময়ে হোম ডেলিভারি সেবা নিশ্চিত করায় সাধারণ মানুষের আস্থা বেড়েছে বহুগুণ।

Explore More Districts