সরকার পতন নয়, অবাধ নির্বাচন চাই: বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সঙ্গে তুলনার জবাবে শশী থারুর

সরকার পতন নয়, অবাধ নির্বাচন চাই: বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সঙ্গে তুলনার জবাবে শশী থারুর

থারুর বলেন, ‘আমার মনে হয়, ভারত বাংলাদেশ নয়, আর ভারত ফ্রান্সও নয়। আমি এই ধরনের তুলনার কোনো যৌক্তিকতা দেখি না…ফ্রান্সে বাস ও থানায় আগুন দেওয়ার মতো যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, আমরা কখনোই সেগুলো সমর্থন করি না।

আমরা কেবল শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিশ্বাস করি…আমি নিজেও এ ধরনের আন্দোলনেই অংশ নিয়েছি। আর আমি বিশ্বাস করি, সাধারণ অর্থে বিরোধীরা এটাই সমর্থন করে…আর বৃহত্তর সমস্যাগুলোর কথা যদি বলি, তবে ‘সরকার বদল’ বা এই ধরনের কথাগুলোকে বিকৃত করার কোনো মানে হয় না…আমরা শুধু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দাবি করছি…বর্তমানে উদ্বেগের বিষয় হলো, একটি সম্পূর্ণ ঝামেলাপূর্ণ, অনিয়মিত এবং আংশিক বেআইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই আমরা এসব বাতিল করার দাবি জানাচ্ছি…এটি একটি সাংবিধানিক বিষয়। এটি কোনো সরকার ফেলার চেষ্টা বা ওই জাতীয় কিছু নয়…।’

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করার জন্য নাগরিকদের অধিকারের পক্ষেও কথা বলেন শশী থারুর। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে তাঁর এই সমালোচনা এসব প্রতিষ্ঠানের কাজ করার ধরন নিয়ে, তাদের অস্তিত্ব নিয়ে নয়।

‘…গণতন্ত্র কারও দেওয়া উপহার নয়…আমরা, ভারতের সাধারণ নাগরিকেরাই এর রক্ষক…আমাদের গণতন্ত্র রক্ষার অধিকার প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকের আছে…আমি শুধু এটাই বলছি যে নির্বাচন কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমরা ঠিকমতো আচরণ করতে বলছি। ভারতের গণতান্ত্রিক সংবিধান অনুযায়ী তাদের যে দায়িত্ব পালন করার কথা, সেটাই তাদের করতে বলছি। বিষয়টা শুধুই এতটুকুই। আমি কোনোভাবেই একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে এসব প্রতিষ্ঠানকে চ্যালেঞ্জ করছি না। তারা যেভাবে আচরণ করছে এবং যেভাবে নিজেদের পরিচালিত করছে, আমি শুধু সেটাকেই চ্যালেঞ্জ করছি। আর সত্যি বলতে, এ বিষয়টি নিয়ে ভারতের সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদের সবারই উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত…।’—       বলেন শশী থারুর।

Explore More Districts