ব্যক্তিগত উদ্যোগে রংপুর-ভেন্ডাবাড়ী সড়কে সংস্কার কাজ শুরু
স্টাফ রিপোর্টার:
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার রাণীপুকুর এরশাদমোড় এলাকায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া আঞ্চলিক সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। “রংপুর দর্শনা-ভেন্ডাবাড়ী আঞ্চলিক সড়কের এরশাদমোড়ে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় পথচারীদের। বিষয়টি স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক গোলাম আযম সোহাগ -এর নজরে আসলে তিনি নিজ উদ্যোগে তাৎক্ষণিকভাবে সড়কটি সংস্কারের পদক্ষেপ নেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন শ্রমিক ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাঙা ও গর্ত হয়ে যাওয়া সড়কটি মেরামতের কাজে। পুরো কাজের তদারকি করছেন সমাজসেবক গোলাম আযম সোহাগ নিজেই। দ্রুততম সময়ে এই উদ্যোগ নেওয়ায় এলাকাবাসী, ব্যবসায়ী ও পথচারীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
গালামাল ব্যবসায়ী সাজু মিয়া বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই দোকানের সামনে পানি জমে ক্রেতারা আসতে পারতেন না। ইত্তেফাকে নিউজ হওয়ার পর আজ যেভাবে সংস্কার কাজ শুরু হলো, তাতে আমরা ব্যবসায়ীরা অনেক স্বস্তি পাচ্ছি।
অটোরিকশা চালক জিয়ারুল ইসলাম জানান, এই মোড়ে পানি জমে বড় বড় গর্ত লুকিয়ে থাকত, ফলে সবসময় গাড়ি উল্টে যাওয়ার ভয় কাজ করত। এখন সংস্কার হওয়ায় আমাদের গাড়ি চালানো সহজ হবে।
পথচারী রফিকুল ইসলাম বলেন, রাস্তার এই করুণ দশার কারণে রিকশা থেকে নেমে হেঁটে পার হতে হতো। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় দ্রুত সমাজসেবক সোহাগ ভাই এগিয়ে এসে কাজ শুরু করেছেন, এটি দেখে সত্যিই ভালো লাগছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই দুর্ভোগ পোহাচ্ছি। সাময়িক এই সংস্কারের পাশাপাশি আমরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে স্থায়ী একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি।
সড়ক সংস্কারের সময় গোলাম আযম সোহাগ বলেন, এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। সামান্য বৃষ্টিতেই এরশাদমোড় এলাকায় পানি জমে যাওয়ায় পথচারী ও চালকরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছিলেন, যা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের মনে কষ্ট দিচ্ছিল। মানুষের এই কষ্ট লাঘব করার তাগিদ থেকেই তাৎক্ষণিকভাবে নিজ উদ্যোগে সড়কটির গর্ত ভরাট ও সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। জনগণের দুর্ভোগ কমাতে আমার এই ধরনের সামাজিক ও মানবিক কাজ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এই ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিরা স্থায়ীভাবে ড্রেন নির্মাণের মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি পুরোপুরি নিরসন করবেন বলে আশা করছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।
রংপুর/স/এস
