নেছারাবাদে নিখোঁজের এক দিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

নেছারাবাদে নিখোঁজের এক দিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

১৯ May ২০২৬ Tuesday ১২:৩৪:২৮ PM

Print this E-mail this


নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

নেছারাবাদে নিখোঁজের এক দিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদে নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর নির্মল হালদার ওরফে নির্মল ওঝা (৬০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার স্বরূপকাঠি সদর ইউনিয়নের পানাউল্লাহপুর গ্রামের শিক্ষক মো. শাহ আলমের পরিত্যক্ত ঘরের পাশ থেকে ওই বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নির্মল ওঝা উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের পশ্চিম কুড়িয়ানা গ্রামের বিপেন হালদারের ছেলে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নির্মল হালদার নেছারাবাদে ওঝা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। একই সঙ্গে সুদের ব্যবসা করতেন। 

নির্মল হালদারের ভাগনে দিলীপ হালদার জানান, গতকাল সোমবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে তাঁর মামার নিখোঁজ হওয়ার খবর তিনি জানতে পারেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে না পেয়ে নেছারাবাদ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। আজ সকালে পানাউল্লাহপুর গ্রামে একটি বাড়ির পাশে তাঁর মামার মরদেহ পড়ে থাকার খবর আসে। 

দিলীপ হালদারের দাবি, তাঁর মামার সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। তিনি গলায় চেইনের সঙ্গে প্রায় দেড় ভরি সোনার দুটি লকেট পরতেন। এ ছাড়া সব সময় তাঁর কাছে কিছু নগদ টাকাও থাকত। 

নির্মল হালদারের প্রতিবেশী সমীরণ রায় জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে নির্মল স্থানীয় কুড়িয়ানা বাজারে যান। রাত ৮টার পর থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তাঁর মোবাইল ফোন নম্বরে কল করেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে ওই রাতেই থানায় জিডি করা হয়। সকালে পানাউল্লাহপুর গ্রামে নির্মল হালদারের মরদেহ পাওয়ার খবর পাওয়া যায়। 

তিনি বলেন, নির্মল ওঝা মানুষের বিপদ-আপদে টাকা ধার দিতেন। তাঁর গলায় সোনার দুটি লকেট ছিল। নিখোঁজ হওয়ার দিন তাঁর সঙ্গে টাকাও ছিল। 

মৃত নির্মল হালদারের গলায় সোনার কোনো লকেট, নগদ অর্থ বা মোবাইল ফোন সেট পাওয়া যায়নি বলে জানান নেছারাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) সঞ্জয় মজুমদার। তিনি বলেন, ঘটনার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।

সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

Explore More Districts