খাদেমুল ইসলাম
জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী পাররামরামপুর ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া গ্রামে এক সমাজসেবকের সেবা মূলক কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার কুমতলবে গোপনে জমি ক্রয় করে বাধা সৃষ্টি করার কুমতলব ফাঁস হওয়ায় ভুক্তভোগী ঐ সমাজসেবক আদালতে একটি প্রিএমশন মামলা দায়ের করেছেন। এ নিয়ে এলাকায় উভয়পক্ষে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। মন্ডলপাড়া গ্রামের ঐ সমাজসেবকের নাম ছানু মন্ডল, পিতা মৃত হাজী ছইনদ্দিন। তিনি এ সাংবাদিককে অভিযোগ করেছেন, একই গ্রামের মুজির উদ্দিন মন্ডলের পুত্র আলমগীর হোসেনের কাছ থেকে দীর্ঘ ৪০ বছর আগে পাররামরামপুর মৌজার ৪৪৬৯ নং খতিয়ান ভুক্ত ৫১০৩ নং দাগে জমি ক্রয় করে সেখানে একটি মসজিদ, একটি গোরস্থান, ফলফলাদির বাগান সহ অন্যান্য সমাজসেবামূলক অবকাঠামো নির্মাণ করেছেন এলাকাবাসীর স্বার্থে। এছাড়া তিনি উক্ত জমিতে একটি হাফেজি খানা, এতিমখানা, মাদ্রাসা, নৈশ্য বিদ্যালয় সহ অন্যান্য সমাজসেবামূলক কাজে বিনামূল্যে দান করে সেখানে অবকাঠামো নির্মাণ করার পরিকল্পনা করেন। এমতাবস্থায়, ছামু মন্ডল কে না জানিয়ে মসজিদের পূর্ব পাশের মিজানুর রহমানের সাড়ে দশ শতাংশ ও তার স্ত্রী পরমিলা বেগমের নামে সাড়ে দশ শতাংশ জমি রঞ্জু মিয়া পিতা তাজুল হক দুইজনের নামে ক্রয় করে। উক্ত জমি ক্রেতা বিক্রেতা কেউ মেপে বুঝে লেনদেন করেনি। কারোর দখলেই নেই উক্ত জমি। ছামু মন্ডলের জমি চারিদিকে, মাঝখানে ছামু মন্ডলকে না জানিয়ে জমি বিক্রি করায় বিরাট সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। যদিও উভয়রে মধ্যে বৈধ্যভাবে ক্রয় বিক্রয় সম্পন্ন হয়েছে। গোপনে ঐ জমি বিক্রি করায় এক দিকে সেখানে কোনো বের হওয়া রাস্তা নাই, অন্যদিকে ছামু মন্ডলের ঐ জমিতে সমাজসেবা মূলক কাজ করতে দারুন অসুবিধা দেখা দিয়েছে। ৪০ বছর আগে মন্ডলপাড়া গ্রামের মজির উদ্দিনের পুত্র আলমগীর হোসেনের কাছ থেকে ৪৪৬৯নং খতিয়ানের ৫১০৩ নং দাগে যে জমি ক্রয় করেছিলেন, এ জমির মধ্যবর্তী স্থানে গোপনে জমির অংশীদার অন্যের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। ছামু মন্ডল জানান, আলমগীর হোসেন, আবুল কালাম, মহসিন, মাহমুদা বেগম, আনোয়ারা খাতুন এদের মধ্যে আলমগীর একাই সোয়া দশ শতাংশ ও উপরেল্লিখিত ৪ জন সোয়া দশ শতাংশ হিসেবে সাড়ে বিশ শতাংশ জমি বিক্রি করেছেন ছামু মন্ডলের কাছে। এ সমস্যা নিরসনে জামালপুর আদালতে একটি প্রিএমশন মামলা দায়ের করেছেন ছামু মন্ডল। ছামু মন্ডল জানান, যে জমির বিষয়ে প্রিএমশন মামলা করেছেন তা বিক্রি মূল্য ২ লাখ ৩২ হাজার টাকা এবং আদালতে জমা দিয়েছেন ২ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪০ টাকা। বিষয়টির সমাধানে ছামু মন্ডল সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
