বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে জিডি ট্রেডে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৮ লাখ টাকার চুক্তি করার অভিযোগে শেখ মোয়াজ্জেম (৬৪) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যকে আটক করা হয়েছে। গত ১৯ আগস্ট বুধবার যশোর সেনানিবাস এলাকায় সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা তাকে আটক করেন।
আটক শেখ মোয়াজ্জেম নড়াইলের কালিয়া উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় চাকরিপ্রার্থী তাছফির খান শান্ত বাদী হয়ে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কালিয়া উপজেলার রামনগর কৃষি অফিসের পাশে শান্তর চাচা সিরাজুল ইসলামের একটি চায়ের দোকান রয়েছে। ওই দোকানে মোয়াজ্জেম নিয়মিত আসা-যাওয়া করতেন। এ সুবাদে শান্ত ও তার চাচার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে মোয়াজ্জেম সেনাবাহিনীতে জিডি ট্রেডে চাকরি দেওয়ার কথা বলে শান্ত ও তার পরিবারের সঙ্গে ৮ লাখ টাকায় চুক্তি করেন।
চাকরির নিশ্চয়তা হিসেবে শান্তর কাছ থেকে কালিয়া শাখার সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের একটি ব্ল্যাংক চেক এবং ১০০ টাকা মূল্যমানের তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র নেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে ১৯ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে মোয়াজ্জেম শান্ত ও তার চাচাকে সঙ্গে নিয়ে যশোর সেনানিবাসের নিয়োগ মাঠে যান। সেখানে সেনা সদস্যরা মোয়াজ্জেমকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখে সন্দেহ করেন। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার মোবাইলে শান্তর ছবি ও মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়।
এ সময় সেনা সদস্যরা শান্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি মোয়াজ্জেমের সঙ্গে চাকরি সংক্রান্ত চুক্তির বিষয়টি জানান। পরে মোয়াজ্জেমকে আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় গত বুধবার রাতে শান্ত বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

