আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে
দক্ষিণ কোরিয়া ৩ লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। তবে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়েই দেশটি এই লক্ষ্য পূরণ করে, নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ১৪ হাজারে পৌঁছায়।
ভিসার সুবিধা পেতে কোরীয় ভাষায় দক্ষতায় গুরুত্ব
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, কোরীয় ভাষায় মধ্যম পর্যায়ের দক্ষতা প্রমাণ করতে পারলে অধিকাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীকে শিক্ষার্থী ভিসার আবেদনে আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে না।
এ জন্য শিক্ষার্থীদের কোরীয় ভাষা দক্ষতা পরীক্ষায় (টপিক) অথবা কোরীয় অভিবাসন ও একীভূতকরণ কর্মসূচিতে (কেআইআইপি) চতুর্থ স্তর অর্জন করতে হবে।
তবে যেসব শিক্ষার্থীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দক্ষিণ কোরিয়ায় থেকে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি বলে বিবেচিত হবে, তাঁদের এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হতে পারে। পড়াশোনার চেয়ে চাকরিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে—এমন শিক্ষার্থীদেরও নির্দিষ্ট সময়ের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে অর্থ জমা রাখতে হতে পারে।

