অভিনেতা উমর আলমও দুরেফিশানের পক্ষ নেন। তাঁর মতে, প্রত্যেক মানুষের কথা বলার ধরন আলাদা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি পরিশীলিত কণ্ঠ শুনতে শুনতে দর্শকদের কাছে স্বাভাবিক উচ্চারণও অদ্ভুত মনে হতে পারে।
উমর আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘এআইয়ের অডিও শুনতে শুনতে তাঁদের কাছে আসল উচ্চারণও অদ্ভুত লাগছে। প্রত্যেক মানুষের কথা বলার ধরন আলাদা, আর সেটিই তাকে স্বতন্ত্র করে।’
নাট্যসমালোচক ড. এজাজ ওয়ারিসও দুরেফিশানের সমালোচনার বিরোধিতা করেছেন। তাঁর ভাষ্য, পাকিস্তানি উচ্চারণে ইংরেজি বললেও সমস্যা, আবার কৃত্রিম উচ্চারণ তৈরি করলেও সমস্যা—দর্শককে সন্তুষ্ট করা কঠিন।
দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন অবলম্বনে
