‘আতঙ্কে আছি, দেশে চলে যাব’ বলেছিলেন রমজান, ফিরেছেন লাশ হয়ে, মা-বাবার কবরের পাশে দাফন

গত বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে রমজান আলীর লাশ পাকিস্তান থেকে ঢাকায় আনা হয় এবং পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে লাশটি সীতাকুণ্ডের বাড়িতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান মঞ্জুরা বেগম। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে একের পর এক হামলার ঘটনায় আমার ভাই আতঙ্কিত ছিলেন। দেশে ফেরার জন্য পাঁচ-ছয় মাস আগে প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই দেশে ফেরার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু সেটি আর সম্ভব হলো না।’

ভাইয়ের স্মৃতিচারণা করে মঞ্জুরা বেগম বলেন, ‘আমার ভাই যখন পাকিস্তানে চলে যান, তখন আমি খুব ছোট। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাইয়ের চেহারাটাও ভুলে গিয়েছিলাম। ভাইকে কাছ থেকে দেখার খুব ইচ্ছা ছিল। যখন তিনি জানান, দেশে আসবেন, খুব খুশি হয়েছিলাম। আমার অন্য ভাইবোনেরাও খুশি হয়েছিল। হঠাৎ তাঁর মৃত্যুর খবর কেউ মেনে নিতে পারছিলাম না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এখন ভাই লাশ হয়ে দেশে ফিরেছেন। তবু শেষবারের মতো ভাইকে খুব কাছ থেকে দেখেছি, এটিই সান্ত্বনা। পাকিস্তানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারাসহ যাঁদের পরিশ্রমে ভাইকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ হয়েছে, তাঁদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।’

Explore More Districts