যশোরে পৃথক ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঝিকরগাছায় এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, সদর উপজেলার বসুন্দিয়ায় গাছ থেকে পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু এবং শার্শায় বিষপানে আরেক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া গ্রামে কুলছুম বেগম (১৯) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। গত রাতে নিজ বসতঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
তিনি পাঁচপোতা গ্রামের প্রবাসী রুস্তম আলীর মেয়ে এবং বাঁকড়া গ্রামের সাব্বির হোসেনের স্ত্রী। ঘটনার পর থেকে তাঁর স্বামী পলাতক রয়েছেন। নিহতের পরিবারের দাবি, তাঁকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে স্বামীর পরিবারের দাবি, তাঁদের মধ্যে কোনো বিরোধ ছিল না।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
অন্যদিকে, শনিবার সকালে যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের গাইদগাছি গ্রামে আমগাছ থেকে পড়ে নুর ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত ওসমান মোল্লার ছেলে। সকাল ১১টার দিকে নিজ বাড়িতে আমগাছ থেকে অসাবধানতাবশত পড়ে আহত হন তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ছাড়া শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের ধান্য খোলা গ্রামে চম্পা খাতুন (২৬) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মিন্টু হোসেনের স্ত্রী। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে স্বামীর বাড়িতে বিষপানে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আলাদা আলাদা এসব ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।


