চীনের প্রেসিডেন্ট সির মিসর সফরের গুরুত্বটা কোথায়

রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের গবেষক এইচ এ হেলিয়ার বলেন, ২০১৪ সালে সদ্য নির্বাচিত সিসি যখন চীন সফরে গিয়ে একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তিতে সই করেন, তখন থেকেই মিসর বেইজিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করছে।

হেলিয়ার বলেন, ওয়াশিংটনের প্রতি কায়রোর অবস্থান এর পর থেকে কিছুটা নরম হলেও গাজা ও ইরান যুদ্ধের ফলে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কতটুকু নির্ভর করা যায় এবং তাদের সিদ্ধান্তের যে অস্থিরতা’ প্রকাশ্যে এসেছে, তা মিসরকে অন্যান্য দেশের সঙ্গেও সম্পর্ক বৃদ্ধি করার চিন্তাভাবনা করতে বাধ্য করেছিল।

এই গবেষক বলেন, ‘মিসর নিজেকে আরও বেশি কৌশলগত স্বতন্ত্র অবস্থানের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছে। তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চায়। তবে একই সঙ্গে বেইজিং, মস্কো ও ইউরোপের সঙ্গেও সম্পর্ক রাখতে চায়।’

ইসরায়েল, সুদান ও লিবিয়া সীমান্তসংলগ্ন এবং সুয়েজ খালের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথের মালিকানার দেশ মিসরকে বৈশ্বিক শক্তিগুলো প্রায়ই এই বিশৃঙ্খল অঞ্চলে একটি কৌশলগত কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখে থাকে।

Explore More Districts