আজ মঙ্গলবার মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য একই হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এদিন দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়নি। তবে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত বীনা রানী রায় ওই এলাকার দিলীপ কুমার রায়ের স্ত্রী। তাঁদের ছেলে তাপস রায় জানান, পরিবারের অন্য সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করেন। বাড়িতে তাঁর মা–বাবা থাকেন। প্রতিদিনের মতো সোমবার সন্ধ্যায় পূজা-অর্চনা শেষে তাঁর মা ঘরে বসে টেলিভিশন দেখছিলেন। তাঁর বাবা তখন দোকানে চা পান করতে গিয়েছিলেন।
তাপস বলেন, এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত ঘরে ঢুকে তাঁর মায়ের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। মায়ের চিৎকার শুনে পাশের ঘরের এক জ্যাঠা বাড়ির লোকজনকে নিয়ে সেখানে আসার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁর মাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
