দেশের জ্বালানি সার্বভৌমত্ব কখনো ছিল না উল্লেখ করে হাসনাত কাইয়ূম বলেন, সেটা অর্জনের চেষ্টা না করে বর্তমান সরকার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে চরম ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণ যে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের রায় দিয়েছিল, তা তো বাস্তবায়ন করা হয়-ই নি, বরং জনগণকে জিম্মি করে বহুজাতিক স্বার্থ ও বিদেশি শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অভ্যুত্থানের রক্তস্নাত অর্জনকে এভাবে হাতছাড়া হতে দেওয়া যায় না উল্লেখ করে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি বলেন, ‘আমরা দুই বছর আগেই হুঁশিয়ার করেছিলাম যে ইন্টেরিম (অন্তর্বর্তী সরকার) যদি সরকারের জবাবদিহির একটা মডেল দেখাতে না পারে, অভ্যুত্থানের স্পিরিট রক্ষা করা যাবে না। আজকের বাস্তবতা প্রমাণ করছে—সংস্কারের যে লড়াই আমরা শুরু করেছিলাম, রাষ্ট্র ও জনগণের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেই লড়াই এখন দ্বিগুণ শক্তিতে সম্মিলিতভাবে চালিয়ে যেতে হবে।’
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন অহিংস গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার।
