এর আগে এ মামলায় গত রোববার ছয়জন এবং শুক্রবার চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ নিয়ে মামলাটিতে মোট ১২ জন কারাগারে গেলেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে একদল ব্যক্তি হাতুড়ি, লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঢোকেন। তাঁরা সেখানে দায়িত্বরত দুই নিরাপত্তাকর্মীকে মারধর করে আটকে রাখেন। এরপর গেট ভেঙে খননযন্ত্র দিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আধা পাকা স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়। কেন্দ্রের চিকিৎসা, নিবন্ধন, পরীক্ষাগার, আলট্রাসনোগ্রাম ও টিকাদানকেন্দ্রের বিভিন্ন সরঞ্জামও ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়।

