সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কুয়েত ও পাকিস্তানের সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর এ অনুমোদন দেওয়া হলো। এসব বৈঠকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।
উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করছে কুয়েত। সেই ধারাবাহিকতায় এই চুক্তি কার্যকর হলো।
সম্প্রতি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে কুয়েতও ছিল। তেহরানের দাবি, ওই হামলার লক্ষ্য ছিল উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা। তবে কুয়েতের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।

