তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা ও ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়েছে। ‘মাদককে না বলুন, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ুন’ শিরোনামে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ (কর্ণফুলী এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) এবং স্বপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশন এই কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সিডিসি, সংশপ্তক, অপরাজেয় বাংলাদেশ, ঘাসফুল, যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা এবং ঊষা নারী উন্নয়ন সংস্থা।
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের কর্ণফুলী এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার জনি রোজারিওর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো.শওকত আলী। প্রধান আলোচক ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) চট্টগ্রামের প্রসিকিউটর নেজাম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা মুরাদ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাহিদ হোসেন মোল্লা।
বক্তারা বলেন, মাদকাসক্তি তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে এবং সমাজব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এই সামাজিক মহামারী থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে কেবল প্রশাসনিক পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়; বরং খেলাধুলা, সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা এবং ইতিবাচক বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। বক্তারা সরকারি–বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সভায় প্রায় ২৫০ জন যুবক–যুবতী অংশগ্রহণ করেন। পরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ যুব ফোরামের সদস্যবৃন্দ এবং পলি শারমিনের পরিবেশনায় মাদকবিরোধী কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এতে বক্তব্য দেন সিডিসির নির্বাহী পরিচালক লুৎফুন্নেছা রূপসা, ঘাসফুলের উপ–পরিচালক মারুফুল করিম চৌধুরী, স্বপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো. আলী সিকদার, সংশপ্তকের প্রধান নির্বাহী লিটন চৌধুরী, যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমীন পারভীন, অপরাজেয় বাংলাদেশের ইনচার্জ জিন্নাত আরা বেগম,ঊষা নারী উন্নয়ন সংস্থার প্রোগ্রাম ম্যানেজার পিযুষ দাশগুপ্ত। উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের ডেনিস তপ্ন, রীতা দোলন রোজারিও, শারমিন আক্তার, রিপা চাকমা, পায়েল খ্রীস্টিনা দাশ, স্মীতা দে ও ঘাসফুলের প্রকল্প সমন্বয়কারী সিরাজুল ইসলাম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।


