কর্মসূচিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহফুজুর রহমান বলেন, পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনতে হবে। বন বিভাগ অনেক সময় ক্ষমতাবানদের চাপে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না। তাই সবাইকে একসঙ্গে বন রক্ষার আন্দোলনে এগিয়ে আসতে হবে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব আবদুল আলীম বলেন, ‘আমরা শুধু পরিবেশ বা হাতির জন্য নয়, মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যও দাঁড়িয়েছি। কোনো প্রকল্প নেওয়ার আগে পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতামত নিতে হবে, সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে হবে। আমরা এমন প্রশাসন চাই, যারা মানুষ, পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতির স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে।’
পরিবেশকর্মী রিতু পারভি বলেন, চকরিয়ার খুঁটাখালীর মধুশিয়া গর্জনবনের মধ্য দিয়ে সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই বন এশীয় হাতির গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল ও চলাচলের করিডর। একইভাবে সাতকানিয়ার বৈতরণি সংরক্ষিত বনের ভেতরেও দুটি সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। অথচ চলতি বছর প্রণীত ‘বৃক্ষ ও বন সংরক্ষণ আইন, ২০২৬ ’-এ প্রাকৃতিক বন সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বনের ভেতর দিয়ে সড়ক নির্মাণ বন্য প্রাণীর আবাসস্থলকে খণ্ডিত করবে এবং মানুষ-হাতির সংঘাত বাড়াবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।


