জানাজা শুরু হওয়ার আগে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম ও মধুখালী পৌর বিএনপির সভাপতি হায়দার আলী মোল্লা বক্তব্য দেন। তাঁরা তিনজন ঘটনাটিকে ‘হত্যাকাণ্ড’ আখ্যায়িত করেন। তাঁরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ ওরফে সতেজ বলেন, ‘প্রান্ত (মির্জা ইশতিয়াক) হত্যার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। অপরাধী যে–ই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় এনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার সকলের আছে। কিন্তু আসামিকে ধরে তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলতে হবে, এইটা কোনো অবস্থাতেই মেনে নিতে পারি না।’
সাহাবুদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘এ ঘটনা কারা করল? এ ঘটনার সাথে কারা জড়িত? আমরা তাদের সুষ্ঠু বিচার চাই। আমরা চাই কোনো মাকে যেন তার সন্তানবে হারাতে না হয়। কোনো মানুষকে যাতে পুলিশি নির্যাতনে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করতে না হয়।’
জানাজার পর পশ্চিম গোন্দারদিয়াস্থ পারিবারিক কবরস্থানে বাবা মৃত এসকেন হায়দারের কবরের পাশে মির্জা ইশতিয়াককে দাফন করা হয়।

