ফেসবুকে আলেমের বিরুদ্ধে বাপ-ছেলের অপপ্রচার

ফেসবুকে আলেমের বিরুদ্ধে বাপ-ছেলের অপপ্রচার

ফেসবুকে আলেমের বিরুদ্ধে বাপ-ছেলের অপপ্রচার

হত্যার হুমকি সহ ফেসবুকে নিয়মিত মানহানিকর অপপ্রচার করে একজন আলেমকে হয়রানি করছেন বাপ-ছেলে, নিজ এলাকায় দলবল তৈরি করে তাকে মারধর করার জন্য খোঁজাখুঁজিও করছেন তারা। প্রাণে বাঁচতে ওই আলেম এলাকা ছাড়া আছেন প্রায় নয় মাস। ঘটনাটি মৌলভীবাজার জেলা সদরের হিলালপুর এলাকায় ঘটেছে বলে তথ্য সূত্রে জানা গেছে।

খুঁজ নিয়ে জানা যায়, অপ্রচারকারী ওয়াহিদ আহমেদ রাব্বি তার পিতা ছালিক মিয়া জেলা সদরের হিলালপুর এলাকার বাসিন্দা, বাপ-ছেলের দ্বারা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হওয়া মাওলানা মাহমুদ হাসান তাদেরই পরিচিত ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি। যার সুবাদে সুঃখে দুঃখে মাহমুদ পাশে থেকে ছালিক মিয়ার বাসায় আসা যাওয়াও করতেন। গভীর এই সু-সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় টাকা পয়সারও লেনদেন হতো প্রায় সময়। এমনি এক লেনদেনের কারনেই উভয়ের মধ্যে ধরে সম্পর্কের ফাঁটল। তুচ্ছ বিষয়টি এখন গড়িয়েছে বিশাল আকারে। মাহমুদ হাসান সমজতার চেষ্টা করলেও আপষ মানতে নারাজ ছালিকের পরিবার। ছালিকের ছেলে রাব্বি ফেসবুকে বিদেশ সংক্রান্ত লেনদেনের বিষয় উল্লেখ করে একের পর এক প্রাণনাশের হুমকি দিয়েই যাচ্ছেন, ইতিমধ্যে সামজিকযোগাযোগ মাধ্যমে তার প্রমানও মিলেছে।

একটি পোস্টে রাব্বি লিখেন, তরে দরিয়া কিতা যে করমু আমি নিজে অই জানি না,কয়টা ছেদ যে খাইবে তরে হসপিটাল গছবনি দেকিছ। তরে বান্দিয়া নউক শটি তুলমু প্লাস দি এর ফরে উতরাইল গরম মরিছর ফানি তর শরিল ডাল্মু খালি সময় গনতে তাখ! এরকম অসংখ্য পোস্টের তথ্য এবং মাহমুদকে জিম্মি করে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার ভিডিও মিডিয়ার কাছে সংরক্ষণ রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে ছালিকের সাথে কথা বললে তিনি মাহমুদের কাছে টাকা পাওয়ার মত কোনো ডকুমেন্টস এর কথা শিকার করেননি। অন্যদিকে মাহমুদ গণমাধ্যম কে জানান আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি, একটি মামলা করতে এলাকায় ঢুকতেই পারছিনা আমাকে ফোনেও হুমকি দিচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে বসতে চাইলে তারা বাপ-ছেলে তাদের ঘর ছাড়া অন্য কোথাও বসতে চায় না। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ছড়ানো হচ্ছে, বিদেশের কোনো বিষয়ে আমি জানিনা লেনদেন থাকলে সেটা পারিবারিক ভাবে সামান্য বিষয়ে থাকতেই পারে। বিষটি নিয়ে রাব্বির সাথে কথা বলতে তার ফোন নাম্বারে একাধিকবার ট্রাই করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এব্যাপারে জানতে চাইলে সদর থানা ওসি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান ভুক্তভোগী অভিযোগ করলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।

ডিএস/এফআর/এসএ

Explore More Districts