যশোরের খাজুরায় চোরাইকৃত ট্রাক কাটার সময় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। যশোরের বাঘারপাড়ার খাজুরা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা তিনজনকে এবং পরবর্তীতে যশোর ডিবি পুলিশ আরো একজনকে আটক করে। আটক চারজনসহ মোট ছয় জনের নাম উল্লেখ করে বাঘারপাড়া থানায় মামলা হয়েছে। আটক চারজনকেই সোমবার (৮ জুন) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আটক চারজন হল, যশোর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর আড়পাড়া গ্রামের মৃত ইদ্রিস মিয়ার ছেলে জামাল হোসেন, শহরের বকচর হুশতলা এলাকার মৃত মিলন তালুকদারের ছেলে সেতু তালুকদার, কামালপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে এনামুল হক এবং বকচার হুশতলা মাঠপাড়ার হাসান শিকদারের ছেলে হামজা। এছাড়া পলাতক আসামিরা হল, বকচর হুশতলা এলাকার আবু তালহা ও একই এলাকার বদিয়ার রহমানের ছেলের জীবন।
ডিবি পুলিশের এসআই ফকির সালাউদ্দিন খান জানিয়েছেন, গত সোমবার দুপুরে খাজুরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ফিরোজ হোসেন গোপন সূত্রে জানতে পারেন, তেলিধান্যপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ফার্ম হাউসের প্রাচীরের মধ্যে একটি চোরাই ট্রাক কাটা হচ্ছে। সংবাদ পেয়ে তিনি উল্লেখিত স্থানে যান। সেখানে যাওয়া মাত্রই কয়েকজন পালিয়ে গেলেও তিনি তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হন। এরা হল জামাল, সেতু ও এনামুল। পরে সেখান থেকে হলুদ রং এর একটি ড্রাম ট্রাকের কাটা অংশ এবং একটি ছোট পিকআপ জব্দ করা হয়। আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা কাটা ট্রাকের কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। কাটা অংশের দরজার উপরে আয়েশা এন্টারপ্রাইজ লেখা আছে। আটক তিনজনের কেউই ওই ট্রাকের মালিকের কোন সন্ধান দিতে পারিনি। পুলিশ সেখান থেকে কাটা অংশ এবং কাটা অংশ বহন কাজে ব্যবহৃত ছোট পিকআপ জব্দ করেছে। পরে এই ঘটনায় বাঘারপাড়া থানায় ছয়জনের নামে একটি মামলা হয়।
যশোর ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে আরো বলা হয়েছে পরবর্তীতে তদন্ত করতে গিয়ে অপর আসামি হামজাকে আটক করা হয়। এই মামলায় মোট চারজনকে আটক করা হয়েছে। চারজনকেই আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।


