আইপিএলের সূচিতে বড় পরিবর্তনের আভাস, ১৫ দিন এগিয়ে আনার পরিকল্পনা – DesheBideshe

আইপিএলের সূচিতে বড় পরিবর্তনের আভাস, ১৫ দিন এগিয়ে আনার পরিকল্পনা – DesheBideshe



আইপিএলের সূচিতে বড় পরিবর্তনের আভাস, ১৫ দিন এগিয়ে আনার পরিকল্পনা – DesheBideshe

নয়াদিল্লি, ২ জুন – ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) নতুন আসর শেষ হওয়ার পর থেকেই পরবর্তী আসরের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)।

প্রতি বছরই আইপিএল চলাকালীন বিরূপ আবহাওয়া বা বৃষ্টির কারণে এক বা একাধিক ম্যাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি প্রচণ্ড গরমের কারণে ক্রিকেটার ও দর্শকদেরও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এসব সমস্যা মোকাবিলায় টুর্নামেন্ট শুরুর সময় এগিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করছে বোর্ড।

২০২৬ সালের আইপিএল শুরু হয়েছিল ২৮ মার্চ। টুর্নামেন্ট চলাকালীন ইডেন গার্ডেন্সে কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম পাঞ্জাব কিংসের ম্যাচসহ আরও কয়েকটি খেলা বৃষ্টির কারণে বাধাগ্রস্ত হয়। এছাড়া দুপুরের ম্যাচগুলোতে অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে ক্রিকেটারদের চোট পাওয়ার ঘটনা বেড়েছে। গ্যালারিতে বসে খেলা দেখতে দর্শকদেরও বেশ বেগ পেতে হয়েছে।

সব দিক বিবেচনা করে আইপিএল সচিব দেবজিৎ শাইকীয়া গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আগামী আসর অন্তত ১৫ দিন এগিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, বিরতির কারণে গত বছর আসরের সময়কাল এক সপ্তাহ বাড়াতে হয়েছিল।

এবারও টুর্নামেন্ট ৩১ মে পর্যন্ত চলেছে। দেশের কিছু অংশে অত্যধিক গরম ও বৃষ্টির প্রভাব টুর্নামেন্টের স্বাভাবিক ছন্দে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। যদি আসরটি আরও ১৫ দিন আগে শুরু করা সম্ভব হয়, তবে তা সবার জন্য সুবিধাজনক হবে।

বোর্ড সচিব আরও জানান, ২৮ মার্চের পরিবর্তে যদি ১৫ মার্চ আইপিএল শুরু করা যায়, তবে ১৫ মে এর মধ্যেই তা শেষ করা সম্ভব। সাধারণত মে মাসের শেষের দিকে ভারতে বৃষ্টির শঙ্কা বেড়ে যায় এবং গরমও তীব্র আকার ধারণ করে।

আগেভাগেই টুর্নামেন্ট শেষ করলে ক্রিকেটার ও দর্শকদের ওপর আবহাওয়াগত চাপ কমবে। তবে বিষয়টি এখনো প্রাথমিক আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে এবং চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে আইপিএল আরও বড় করার বা ম্যাচ সংখ্যা বাড়ানোর আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই বলে নিশ্চিত করেছেন শাইকীয়া। তিনি জানান, দল বৃদ্ধি বা ম্যাচের সংখ্যা ৭৪ থেকে বাড়িয়ে ৯৪ করতে হলে আন্তর্জাতিক সূচির বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। ফলে এখনই এ নিয়ে কোনো পরিবর্তন আসছে না। ২০২৭ সালের পর এ বিষয়ে কোনো নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

এনএন/ ২ জুন ২০২৬



Explore More Districts