| ২৫ April ২০২৬ Saturday ৫:৫৬:২৫ PM | |
কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের কাউখালীর আমরাজুরী ফেরিঘাট সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর তীরে ভয়াবহ ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ নিক্ষেপ করা হলেও তা কোনো কাজে আসছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে অন্তত ২০টি দোকান, আর ঝুঁকিতে রয়েছে আরও প্রায় ৩০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে নদীর তীর ধসে পড়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে। প্রতিদিনই কিছু না কিছু অংশ নদীতে ভেঙে পড়ছে, ফলে ফেরিঘাট এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। অনেকেই তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, তবে সময় ও আর্থিক সংকটের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না।
আমরাজুরী বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী গাজী আনোয়ার হোসেন বলেন, এক এক করে আমাদের দোকান নদীতে চলে যাচ্ছে। জিও ব্যাগ ফেললেও কোনো কাজ হচ্ছে না। এখন আমরা শুধু অপেক্ষা করছি কখন আমাদের এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, প্রতিদিন ভয়ে থাকি। রাতে ঘুমাতে পারি না—এই বুঝি নদী এসে সবকিছু নিয়ে গেল। তীব্র ভাঙনের ফলে মাঝে মাঝে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঝুঁকির ভেতরে ফেরি চলাচল করছে।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ভাঙন রোধে প্রাথমিকভাবে জিও ব্যাগ ফেলার ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে ভাঙনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় তা পর্যাপ্ত হচ্ছে না। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, আমরাজুরী ফেরিঘাট এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এর জন্য বরাদ্দ প্রয়োজন। বরাদ্দ পেলেই কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |


