মহসিন মোল্যা, বিশেষ প্রতিবেদক-
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ওষুধ সংকট মেটাতে ও রোগীদের চিকিৎসা সেবা যাতে ব্যাহত না হয় সে দৃষ্টিকোন থেকে উত্তরণের জন্য সোমবার সকালে তড়িৎ এ ওষুধ সামগ্রী ও যন্ত্রপাতি প্রদান করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, জেলা সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবীর জেলার কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে গ্লুকোমিটার ও গ্লুকোমিটার স্ট্রিপ সরবরাহের ঘাটতি দেখতে পান। তিনি সিএইচসিপিদের সাথে আলাপে জানতে পারেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ সরবরাহ নেই। ওষুধ সংকটের বিষয়টি তিনি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবহিত করেন। জেলা প্রশাসক মো. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ রোগীদের চিকিৎসাসেবা যাতে ব্যহত না হয় সে দিকে দৃষ্টি দিতে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্রীপুরকে স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে পরামর্শ করে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে পরামর্শ করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০ ভায়াল এন্টিভেনম ইনজেকশন, ৪০ ভায়াল এন্টি র্যাবিস, ২৬ টি গ্লুকোমিটার মেশিন ও ২৬ শত গ্লুকোমিটার স্ট্রিপ প্রদান করেন। এর আগে গত মার্চ মাসে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেক মূহিত হরমোন এনালাইজার মেশিন ও একটি আইপিএস প্রদান করেছিলেন। ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহের ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ উপকৃত হয়েছে এবং বিদ্যুৎতের লোড শেডিংয়ের সময় রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া কঠিন হতো। সেই সময় টর্চ লাইটের আলোয় এ সেবা কার্যক্রম চালানো হতো। আইপিএস সুবিধার ফলে লোড শেডিংয়ের সময়ে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া সমস্যার অনেকটা সমাধান হয়েছে।
চিকিৎসা সহায়তা প্রদান সম্পর্কে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুজ্জামান লিটন বলেন, ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহে সহযোগিতা করায় জেলা সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবির স্যার ও জেলা প্রশাসক মহোদয় মো. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং সেই সাথে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পোষ্ট শেয়ার করুন

