পুলিশের বক্তব্য, পরিবারটির থানায় আসা উচিত ছিল। আইনগতভাবে এই বক্তব্য সঠিক। তবে বাস্তব প্রশ্ন হলো, কেন মানুষ এখনো থানার চেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তির দ্বারস্থ হয়। এর উত্তর নিহিত রয়েছে আস্থার ঘাটতিতে। যদি মানুষ নিশ্চিত থাকত যে অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক মামলা নেওয়া হবে, নিরাপত্তা দেওয়া হবে এবং অপরাধীরা দ্রুত গ্রেপ্তার হবে, তাহলে তারা অনিশ্চিত সালিস প্রক্রিয়ার আশ্রয় নিত না। বিচারপ্রক্রিয়ায় বিলম্ব ও প্রভাবশালীদের প্রভাবের ধারণাই অপরাধীদের সাহস জোগায়।
এই ঘটনায় ইতিমধ্যে মামলা হয়েছে এবং ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা ও তাঁর ছেলেসহ সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। কিন্তু এখানেই দায়িত্ব শেষ হয় না। প্রথমত, ধর্ষণের অভিযোগ কেন আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত হয়নি, কারা ধামাচাপায় ভূমিকা রেখেছে, পরিবারকে এলাকা ছাড়ার চাপ কে দিয়েছে, এসব প্রশ্নের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক দায়িত্ব।


