মীর আহমাদ: জনগণের কাছে সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে নির্বাচনের পর জনপ্রতিনিধিদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। এলাকার মানুষ বলে, ভোটের পর আর এমপি সাহেবকে খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই আমাদের প্রথম ওয়াদা হচ্ছে, নির্বাচনী এলাকায় সরকারি বরাদ্দ কত এল, সেই বরাদ্দ কীভাবে কোথায় ব্যয় হচ্ছে, প্রতি ছয় মাস পরপর তার একটা পূর্ণাঙ্গ হিসাব আমরা জনসমক্ষে প্রকাশ করব।
দ্বিতীয়ত, প্রতি ছয় মাস পর আমরা গণশুনানি অনুষ্ঠান করব, যেখানে নির্বাচিত প্রতিনিধি জনগণের মুখোমুখি হবেন। জনসাধারণ প্রশ্ন করবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধি সেই উত্তর দিতে বাধ্য থাকবেন।
জনগণ পুরোনো ধাঁচের রাজনীতি, পেশিশক্তি-কালোটাকার প্রভাব ও দুর্নীতিতে হাঁপিয়ে উঠেছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে এতগুলো জীবনের বিনিময়ে যে দ্বিতীয় স্বাধীনতা, সেটা যেন শুধু একটি ভোট নয়; বরং একটি নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়।

