আসছে শীত, তবুও চড়া সবজির বাজার – Chittagong News

আসছে শীত, তবুও চড়া সবজির বাজার – Chittagong News

শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে এসেছে হালকা শীতল হাওয়া। তবে এই সময়ে বাজারে দেখা যাচ্ছে সবজির দাম চড়া থাকার প্রবণতা। সাধারণত শীতের মৌসুমে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ার কারণে দাম কম থাকে। কিন্তু এবছর চিত্র ভিন্ন।  

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির এমন বাড়তি দামেই দেখা গেছে।

আজকের বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, সিম প্রতি কেজি ১০০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ১০০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, পেঁয়াজের নতুন ফুল ফুলকা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, লম্বা বেগুন প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ধুন্দল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কচুর লতি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ঝিঙা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে টমেটো প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, ছোট সাইজের ফুলকপি প্রতি পিস ৫০ টাকা, বাধা কপি প্রতি পিস ৫০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, পটল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৭০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

অন্যদিকে বাজারে সব ধরনের মুরগির দাম আগের মতোই রয়েছে। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়, সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩২০ টাকা, কক মুরগি প্রতি কেজি ৩২০ টাকা। লেয়ার প্রতি কেজি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি প্রতি কেজি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দামের এমন ঊর্ধ্বগতির কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলছেন, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কথা। এছাড়া, কয়েকটি অঞ্চলে বন্যা ও বৃষ্টির কারণে শীতকালীন সবজির উৎপাদনে কিছুটা ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

সবজির দামের এমন ঊর্ধ্বগতির কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলছেন, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কথা। এছাড়া, কয়েকটি অঞ্চলে বন্যা ও বৃষ্টির কারণে শীতকালীন সবজির উৎপাদনে কিছুটা ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

এদিকে ক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম তাদের বাজেটে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। এক ক্রেতা বলেন, “শীতের সবজি কম দামে পাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এখন বাজারে গিয়ে সবজি কেনা কষ্টকর হয়ে গেছে।”

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ ও সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে, শীতের পুরো মৌসুম জুড়ে এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।

সরকারি উদ্যোগে বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কৃষকদের সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এসসি/সিটিজিনিউজ 

Explore More Districts