প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)। গ্যাসের চাহিদা মেটাতে প্রকল্পটি থেকে এক বছরের মধ্যে গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
জানতে চাইলে বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. আবুল কাসেম খান বলেন, ‘প্রথম বছরে একটি কূপ থেকে গ্যাস পাওয়া যেতে পারে; আর দেড় বছরের মধ্যে দুটি কূপ থেকেই গ্যাস পাওয়ার আশা করছি। এ ছাড়া আরও কিছু কূপ খননের প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে।’
প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, দুটি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি দৈনিক প্রায় ১৮ ব্যারেল কনডেনসেট বা তরল পেট্রোলিয়াম–জাতীয় পদার্থ পাওয়া যেতে পারে। কূপ দুটি থেকে উৎপাদিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। এতে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়বে।
পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে শিল্পের উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে জোর দিচ্ছে। তাই গ্যাস অনুসন্ধানে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সে অনুযায়ী প্রকল্পটি নেওয়া হচ্ছে।