সমঝোতার বিষয়টি প্রথম জানান ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। গতকাল বুধবার তিনি বলেন, হরমুজে দুই দেশ যে পথ অনুসরণ করবে, তা নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। তৃতীয় কোনো পক্ষ বাধা না দিলে শিগগিরই দুই দেশ এ নিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করবে। সেখানে রাজি হওয়া প্রধান বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। বর্তমানে বিবৃতিটির খসড়ার চূড়ান্ত পর্যালোচনা চলছে।
তবে ওমানের সঙ্গে সমঝোতা হলেও হরমুজ জাহাজ চলাচলের জন্য নিরাপদ হবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসমাইল বাঘাই। তাঁর ভাষ্যমতে, হরমুজ প্রণালিকে এখনো অনিরাপদ করে রাখার যেসব কারণ রয়েছে, সেগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী। বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের নৌ অবরোধ এবং অন্যান্য আগ্রাসী ও হুমকিমূলক পদক্ষেপ এখনো অব্যাহত রয়েছে।
ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানির প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহন করা হতো। তবে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই জলপথ কার্যত বন্ধ রেখেছে তেহরান। ইরান চায়, এই প্রণালির উত্তর দিক তাদের নিয়ন্ত্রিত পথে জাহাজ চলাচল করুক। অপর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া—প্রণালির দক্ষিণ দিকে ওমান উপকূল দিয়ে জাহাজ চলাচল। এ নিয়ে সম্প্রতি ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতেও জড়িয়েছিল।
