ডেস্ক নিউজ: সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন অন্যতম বিদ্যাপীঠ ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বহু অনিয়ম-দুর্নীতির হোতা আবুল কাশেম এর বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতি করে বিদ্যালয়ের ফান্ড থেকে অর্থ উত্তোলন ও দোকানঘর ভাড়ার জামানতের অর্থ এবং চাকুরি দেওয়ার নামে একাধিক ব্যক্তির লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার কারণে কারন দর্শানো নোটিশ দিয়েছে ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান। গত রবিবার (৩০শে আগষ্ট) সভাপতি খলিলুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তৃতীয় কারণ দর্শানোর এ নোটিশ দেওয়া হয়। এবিষয়ে তাকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব প্রদান করতে বলা হয়। এর আগেও প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমকে স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর অর্থ আত্মসাৎ সহ নানা অনিয়ম দুনীর্তির দায়ে দুইবার শোকজ হয়। একেরপর এক ঘটনায় বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার সংশয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বরখাস্তের দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়রা।
নোটিশ সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্থাপিত দোকানঘর ভাড়ার জামানত বাবদ ১,৮৭,০০০/- (এক লক্ষ সাতাশি হাজার) টাকা নগদে গ্রহণ করে তা ক্যাশ খাতায় অন্তর্ভুক্ত না করা। এছাড়া ভোকেশনাল স্তরে ৩,৬৬,০০০/- (তিন লক্ষ ছেষট্টি হাজার) টাকা বিধি বহির্ভূতভাবে ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। উত্তোলনের আবেদনে উক্ত সময়ে যিনি যৌথ স্বাক্ষরকারী ছিলেন তিনি লিখিত দিয়েছেন যে আবেদনে স্বাক্ষর তার নহে এবং উক্ত টাকা অত্র প্রতিষ্ঠানের কয়েকটি সাধারণ হিসাব খোলা থাকলেও অত্র প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকের হিসাব নম্বরে স্থানান্তর করা হয়েছে যাহা সন্দেহমূলক, উক্ত টাকা ১৬/০১/২০২৪ ইং তারিখে উত্তোলন করে ১৫/০৪/২০২৪ ইং তারিখে ঋণ প্রদান হিসাবে দেখানো হয়েছে। অপর দিকে ঋণ হিসাবে টাকা বিতরণ রেজিস্টারে জুন ২০২৪ ও অন্য জায়গায় ১৫/০৯/২০২৪ দুই ধরনের তারিখ লক্ষ্য করা গেছে। এবং অর্থ ক্যাশ খাতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এছাড়া চাকুরী দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং যাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে তারা প্রমানসহ আবেদন করেছেন। এজন্য বিধি বহির্ভূত কাজ ও অত্র প্রতিষ্ঠানের টাকা আত্মসাৎ ও চাকুরী দেওয়ার নামে টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ করার কারনে “কেন আপনাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে না” পত্র প্রাপ্তির ১০ (দশ) কর্ম দিবসের মধ্যে জবাব প্রদান করতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও ফোন রিসিভ করেননি।
