
ঢাকা, ১৬ এপ্রিল – সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী মরহুম বশির আহমেদের পক্ষে তার কন্যা হুমায়রা বশির এবং জনপ্রিয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) এই গৌরবোজ্জ্বল পদক গ্রহণ করেন।
বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বশির আহমেদের ছেলে রাজা বশিরসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পুরস্কার গ্রহণের আগে হুমায়রা বশির তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন যে, বাবার পক্ষ থেকে এই বিরল সম্মাননা গ্রহণ করতে পেরে তারা গর্বিত। তিনি বলেন, বাবা এবং মা বেঁচে থাকলে আজ তাদের বলতাম আপনাদের সন্তান হতে পেরে আমরা ধন্য। উল্লেখ্য, অনেক সাধের ময়না আমার এবং আমাকে পোড়াতে যদি এত লাগে ভালো এর মতো অসংখ্য কালজয়ী গানের শিল্পী ও সুরকার বশির আহমেদ ২০১৪ সালের ১৯ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন। সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ২০০৫ সালে একুশে পদকেও ভূষিত হয়েছিলেন।
এ বছর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
এবার মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন সাতজন। মুক্তিযুদ্ধ, সাহিত্য, সমাজসেবা এবং জনপ্রশাসনের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এই পদক দেওয়া হয়।
প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে এবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজসহ মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠান এই মর্যাদা অর্জন করেছে।
১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের জন্য এই সম্মাননা দিয়ে আসছে সরকার। পদকপ্রাপ্তদের ১৮ ক্যারেট মানের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
এনএন/ ১৬ এপ্রিল ২০২৬




