জেডি ভ্যান্স ও শাহবাজ শরিফের উপস্থিতিতে কাতারের প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান। আলোচনা শুরুর আগে কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক একটি পদক্ষেপ। এর গুরুত্ব শুধু এই অঞ্চলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেই নয়; বরং পুরো বিশ্বের নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
সেখানে জেডি ভ্যান্স মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতার জন্য ইরানকে দায়ী করে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ইরান এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতার প্রধান নিয়ামক। তবে ‘শেষ কয়েক ঘণ্টায়’ দারুণ কিছু অগ্রগতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি এ–ও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও উন্নতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একসঙ্গে কাজ করবে।
মধ্যপ্রাচ্যে সংকট নিরসনের জন্য ট্রাম্প আলোচনায় অংশ নেওয়া মার্কিন প্রতিনিধিদলকে দায়িত্ব দিয়েছেন বলেও জানান ভ্যান্স। তিনি বলেন, ‘আমরা মধ্যপ্রাচ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের এই ধরন বদলাতে পারব কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।’
ট্রাম্পের নেতৃত্বের প্রশংসা করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, ‘তাঁর সেই নেতৃত্বের কারণেই এখানে বৈঠক হচ্ছে। আমি মনে করি, আমাদের মধ্যে দারুণ আলোচনা হবে। আশা করি, এই আলোচনার বেশ কার্যকর ফল পেতে যাচ্ছি আমরা।’
তবে বৈঠক চলাকালে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে ইরানে আবারও হামলার হুমকি দেন। লেবাননে হিজবুল্লাহসহ ইরান–সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো যেন সমস্যা সৃষ্টি না করে, এ ব্যাপারে তেহরানকে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘তেহরানকে অবশ্যই অবিলম্বে লেবাননে তাদের মোটা অঙ্কের অর্থ পাওয়া মদদপুষ্ট গোষ্ঠীগুলোকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখতে হবে। তারা যদি তা না করে, তাহলে আমরা গত সপ্তাহে যেমনটি করেছি, ঠিক তেমনি; বরং তার চেয়েও কঠোরভাবে আবার ইরানে আঘাত হানব।’
