সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার কিছু পরে মঞ্চে ওঠেন রুনা লায়লা। শুরুতেই তিনি বলেন, ‘যাঁরা বাংলা ভাষা ও দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের সম্মান জানিয়ে শুরু করছি।’ এরপর দেশাত্মবোধক গান ‘দেশের জন্য যারা’ দিয়ে শুরু হয় তাঁর পরিবেশনা।
এরপর একে একে পরিবেশন করেন ‘শিল্পী আমি’, ‘যখন থামবে কোলাহল’, ‘গানেরই খাতায়’, ‘যে জন প্রেমের ভাব জানে না’, ‘আমায় গেঁথে দাও না’, ‘বন্ধু তিন দিন’, ‘অনেক বৃষ্টি ঝরে’, ‘সাধের লাউ’ এবং প্রথমবারের মতো মঞ্চে গাইলেন নজরুলসংগীত ‘ভুলিতে পারি না’। দর্শকদের বিশেষ অনুরোধে রাত সোয়া ৯টায় বহুল জনপ্রিয় ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ গেয়ে শেষ করেন প্রায় দেড় ঘণ্টার এই আসর। সব মিলিয়ে তিনি পরিবেশন করেন ১১টি গান।
প্রতিটি গান শেষে মিলনায়তনজুড়ে করতালি আর উচ্ছ্বাস যেন জানিয়ে দিচ্ছিল—সময় বদলায়, কিন্তু রুনা লায়লার গান প্রজন্মের পর প্রজন্মে একই রকম আবেদন নিয়ে বেঁচে থাকে।

