তিনি বলেন, বিষয়টি তিনি আগের সিনেমার সম্পাদনার সময়ও বুঝেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা ‘ওয়ান নাইট অনলি’তে কাজে লাগিয়েছেন। কিন্তু তাতেও তাঁর মনে হয়েছিল, যথেষ্ট কাটছাঁট করা হয়নি।
কারণ, ছবিতে এমন অনেক নগ্ন দৃশ্য ছিল, যেগুলো নিউইয়র্কের রাস্তায় শুট করা হয়েছিল। নির্মাতার ধারণা ছিল, এমন দৃশ্য ছবির পৃথিবীকে বাস্তব করে তুলবে। কিন্তু দর্শকদের সামনে ছবিটি দেখানোর পর পরিস্থিতি বদলে যায়।
দর্শক যখন চরিত্রগুলোর গল্পে ডুবে আছেন, তখন হঠাৎ ক্যামেরা ঘুরে দুজন নগ্ন মানুষকে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত দেখালে তাঁদের মনোযোগ গল্প থেকে সরে যাচ্ছে। দর্শকদের শারীরিক প্রতিক্রিয়াও পরিচালক লক্ষ করেছেন—অনেকে পাশে বসা মানুষের দিকে ফিরে তাকাচ্ছেন।
গ্লাকের উপলব্ধি ছিল, এসব দৃশ্য রাখার সুবিধার চেয়ে অসুবিধাই বেশি। তাই একের পর এক দৃশ্য বাদ দিতে থাকেন তিনি। শেষ পর্যন্ত এমন একটি ভারসাম্য তৈরি করা হয়, যাতে দর্শকদের সেই অস্বস্তিকর প্রতিক্রিয়াগুলো আর দেখা না যায়।
অন্তরঙ্গ দৃশ্যে ছিল বিশেষজ্ঞের সহায়তা
যৌন দৃশ্য বাদ দেওয়া হলেও ছবিতে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের অভাব নেই। বরং ছবির গল্পেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ যৌনতা। তাই এমন দৃশ্যের শুটিং কীভাবে নিরাপদ ও পেশাদার পরিবেশে করা হয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
গ্লাক জানিয়েছেন, ছবির সেটে একজন দক্ষ ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর ছিলেন। পাশাপাশি ব্যাকগ্রাউন্ডের বিভিন্ন যৌন দৃশ্যে অভিনয়ের জন্য বাস্তব জীবনের দম্পতিদেরও নেওয়া হয়েছিল।
অর্থাৎ, হঠাৎ কোনো অতিরিক্ত চরিত্রকে এনে বলা হয়নি—আপনারা পরস্পরকে চুমু খাবেন বা অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করবেন। বরং বিভিন্ন ধরনের সম্পর্কের বাস্তব দম্পতিদেরই বেছে নেওয়া হয়েছিল।
কেউ ছিলেন বিবাহিত, কেউ সিনেমা চলাকালে সম্পর্ক ভেঙেছেন, আবার কেউ কেউ এমনও ছিলেন, যাঁরা ছবিতে কাজ করতে গিয়ে পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন।
