দুইজনের খেলার ধরনে মিলের চেয়ে অমিলই বেশি। একজনের বল নিয়ে কারিকুরি যদি শিল্পীর রংতুলিতে কোনো মোহনীয় চিত্রকর্ম হয়, আরেকজন তাহলে বল পেলে হয়ে যান বিশ্বসেরা প্রকৌশলীর তৈরি নিখুঁত একটা যন্ত্র, যিনি গোলের পর গোল করে যেতে পারেন অক্লেশে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও আর্লিং হলান্ডের মধ্যে অবশ্য একটা বড় মিল—আজ ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে দুইজনের ওপরেই চোখ থাকবে সবচেয়ে বেশি!
এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে দুইজনের পারফরম্যান্সই আশা দেখাচ্ছে দুই দলকে। ব্রাজিলের হয়ে ভিনিসিয়ুস করে ফেলেছেন চার গোল। গোল পেয়েছেন গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই। মনে করিয়ে দিয়েছেন রোমারিও, রোনালদো, রিভালদোর মতো কিংবদন্তিদের। তিন ম্যাচেই হয়েছেন ম্যাচসেরা। নকআউটের প্রথম ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে গোল পাননি, তবে ভীতি ঠিক ছড়িয়েছেন প্রতিপক্ষ রক্ষণে। পেয়ে যেতে পারতেন টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা গোলও।

