শহুরে চাকরিতে ক্লান্ত তরুণেরা, চীনে ভাইরাল মেষপালকের চাকরি

শহুরে চাকরিতে ক্লান্ত তরুণেরা, চীনে ভাইরাল মেষপালকের চাকরি

‘৩৫ বছরের অভিশাপ’
জুও জানান, আবেদনকারীদের প্রায় অর্ধেকই নব্বইয়ের দশকে জন্ম নেওয়া। চীনে এই বয়সীদের মধ্যে ‘৩৫ বছরের অভিশাপ’ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সরকারি-বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানই ৩৫ বছরের বেশি বয়সীদের নিয়োগে অনাগ্রহী।

নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটনের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ক্রিস্টিয়ান ইয়াও বলেন, ‘একসময় এটি প্রযুক্তি খাতের মিম ছিল। এখন ‘৩৫ বছরের অভিশাপ’ পুরো অর্থনীতির বাস্তবতায় পরিণত হচ্ছে।’

ই-কমার্স খাতে কর্মরত ২৮ বছর বয়সী এক নারী, যিনি পরিচয় গোপন রাখতে শুধু ‘উ’ পদবি ব্যবহার করেছেন, মাসে ১০ হাজার ইউয়ান আয় করেন। তবু মেষপালকের চাকরিটি তাঁর আগ্রহ জাগিয়েছে।

এই নারী বলেন, ‘আমি শহুরে জীবন থেকে পালাতে চাই। কঠিন মানুষের সঙ্গে মিশতে মিশতে ক্লান্ত। নিরিবিলি, বিচ্ছিন্ন একটা জীবন কাটাতে চাই।’

শেষ পর্যন্ত জুও চারজন মেষপালক নিয়োগ দেন, অর্থাৎ দুটি দম্পতি। তাঁদের সবার জন্ম আশির দশকে এবং তাঁদের আগে খামারে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। আরও ৪০ দম্পতিকে সংক্ষিপ্ত তালিকায় রাখা হয়েছে। তবে অবিবাহিত বা শহুরে তরুণদের তিনি আর বিবেচনায় নিচ্ছেন না।

খামারি জুও বলেন, ‘আমাদের এখানে পুরো এক বছরেও হয়তো কোনো মানুষের দেখা পাবেন না। কেউ এতটা একাকিত্ব সহ্য করতে পারবেন কি না, সেটা বলা কঠিন।’

Explore More Districts