সেলাইঘরে একবেলা
২০২৪ সাল পর্যন্ত পুরোদমে ছবি তৈরি ও বিক্রি করেছেন তানিয়া। এরপর পারিবারিক কারণে কিছুদিন কাজটি বন্ধ রেখেছিলেন। নতুন করে আবার শুরু করেছেন। ছবি তৈরি করে অনলাইনে পোস্ট দিতেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।
জেলা সদরে হলেও সাধুপাড়া এলাকা গ্রামের মতো। কাঁচা রাস্তায় হেঁটে যেতে হয় তানিয়া আফরোজের বাড়িতে। একতলা বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে তানিয়ার সেলাইঘর। সম্প্রতি এক দুপুরে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, তানিয়াসহ কয়েকজন নারী সেখানে সেলাই করছিলেন। চটের ক্যানভাসে সুইয়ের ফোঁড় দিচ্ছিলেন গুনে গুনে।
ঘরটিতে সুইয়ের ফোঁড় দিচ্ছিলেন কানিজ ফাতেমা নামের এক নারী। তিনি জানান, নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তিনি কাজ শিখেছেন। এরপর এসএসসি, এইচএসসি পাস করে বিয়ে হয়েছে। পড়ালেখার সব খরচ এই কাজ করেই জুটেছে। কাজটির প্রতি তাঁরও ভালোবাসা তৈরি হয়েছে। প্রতিটি ছবি যখন ফুটে ওঠে, তখন খুব ভালো লাগে তাঁর।
কাজের আকার ও মানভেদে টাকা পান নারীরা। ২০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত হাজিরা দেওয়া হয় তাঁদের। কিছু ছবির ক্ষেত্রে এর বেশিও হয়। সীমা খাতুন নামে আরেক নারী বলেন, ‘সুংসারের কাজ শেষ করে মেলা সুময় থাকত। শুয়েবসে কাটত। এহন আপার হেনে সিলাই করি। যা পাই নিজির হাত খরচ ও সুংসারেও কিছু দিতি পারি।’
