সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো উদ্যোগটি চালুর সময় যে উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রত্যাশা তৈরি করা হয়েছিল, তার সঙ্গে বাস্তব প্রস্তুতির বড় ধরনের অসামঞ্জস্য ছিল। ‘শূন্য বাজেটে’ প্রকল্প বাস্তবায়নের সাফল্য হিসেবে বিষয়টি তুলে ধরা হলেও পরে দেখা গেল, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, ইন্টারনেট ও সংযোগ নিশ্চিত করতেই বিনিয়োগ দরকার। জনসেবা কোনো স্লোগান বা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে টেকসই হয় না; এর জন্য প্রয়োজন অর্থ, জনবল, প্রযুক্তি, জবাবদিহি এবং নিয়মিত মূল্যায়ন।
সরকারের লক্ষ্য হওয়া উচিত শুধু প্রকল্পের সংখ্যা বাড়ানো নয়, নাগরিকের ভোগান্তি কমানো। নাগরিক সেবাকেন্দ্রের ধারণাটি তাই বাতিল করার প্রয়োজন নেই; প্রয়োজন এর দুর্বলতা থেকে শিক্ষা নেওয়া। কোন সেবা অনলাইনে দেওয়া সম্ভব, কোন সেবায় শারীরিক উপস্থিতি দরকার, প্রযুক্তিগত সংযোগ কীভাবে নিশ্চিত হবে, উদ্যোক্তার আয় কীভাবে স্থিতিশীল রাখা হবে, নাগরিকদের কাছে তথ্য কীভাবে পৌঁছাবে এবং কেন্দ্রের কার্যক্রম কে নিয়মিত তদারক করবে—এসব প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তর থাকতে হবে।
