রায়ে বিচারক বলেন, এ ঘটনা শুধু খাদ্যনীতিমালাই লঙ্ঘন করেনি, বরং গবেষণাগারে পরীক্ষার সময় পিঁপড়াগুলোর শরীরে ক্ষতিকারক ভারী ধাতুর মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। তাই এ অপরাধকে কোনোভাবেই হালকা করে দেখার সুযোগ নেই।
অভিযুক্ত রেস্তোরাঁমালিক অবশ্য আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই পিঁপড়া খাওয়ার প্রচলন থাকায় দক্ষিণ কোরিয়ায় যে এটি নিষিদ্ধ, তা তাঁর জানা ছিল
না। তা ছাড়া তাঁদের বিশেষ ১৫ পদের খাবারের মেনুর খুব ছোট একটি অংশে এ পিঁপড়া ব্যবহার করা হতো।
