বিজ্ঞপ্তিতে বিআইজিডি জানিয়েছে, জাতিসংঘের নির্বাচনী সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় পরিচালিত এই গুণগত গবেষণায় নারী সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের সদস্যদের সঙ্গে ৪৩টি নিবিড় সাক্ষাৎকার এবং প্রাসঙ্গিক আইনি ও নীতি কাঠামোর পর্যালোচনার ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন। রাজনীতিতে নারীদের বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘প্রতিপক্ষের মূল অভিযোগ ছিল আমার স্বামী ভিন্ন নির্বাচনী এলাকার। দ্বিতীয় অভিযোগ ছিল আমি নিজের এলাকার চেয়ে স্বামীর এলাকাকে প্রাধান্য দেব, অথচ সেই এলাকায় আমি জীবনে কখনো যাইনি। যখন সব অভিযোগ ব্যর্থ হলো, তখন তারা অনলাইনে ও সরাসরি হয়রানিমূলক প্রচারণা শুরু করল, যার জন্য নির্বাচন কমিশন তাদের শাস্তি দিয়েছে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমার নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় আছে। একটি সম্মানিত রাজনৈতিক পরিবার থেকে আসার পরেও যদি আমাকে এই ধরনের অনলাইন ও অফলাইন হয়রানির শিকার হতে হয়, তাহলে যেসব নারী আমার মতো সুবিধাজনক অবস্থানে নেই, তাঁরা প্রতিদিন কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন, সেটা ভাবলে শিউরে উঠতে হয়।’

