হঠাৎ করে রমজানে রাত জাগা, সেহরির জন্য ওঠা এবং দীর্ঘ তারাবি পড়ার অভ্যস্ততা গড়ে তোলা শারীরিক ও মানসিকভাবে বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এখন থেকেই ছোট ছোট পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে:
নফল রোজা: রজব ও শাবান মাসের সুন্নাত রোজাগুলোর মাধ্যমে শরীরকে অভ্যস্ত করা। ড. ইউসুফ আল-কারজাভি তাঁর গবেষণায় উল্লেখ করেছেন যে রমজানের আগের নফল রোজাগুলো ইবাদতের একটি মানসিক স্থায়িত্ব তৈরি করে। (আল-কারজাভি, আল-ইবাদাত ফি আল-ইসলাম, পৃষ্ঠা: ২১২, মুআসসাসাতুর রিসালাহ, বৈরুত, ১৯৯৮)
কোরআন পাঠ: প্রতিদিন অন্তত এক পৃষ্ঠা করে কোরআন তিলাওয়াত ও এর অর্থ অনুধাবনের অভ্যাস শুরু করা, যাতে রমজানে এসে তা বোঝা মনে না হয়।
সময় ব্যবস্থাপনা: অপ্রয়োজনীয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা স্ক্রিনটাইম কমিয়ে ইবাদত ও আত্মমূল্যায়নের জন্য আলাদা সময় বের করা।
ওমরাহর প্রস্তুতি: যারা রমজানে পবিত্র মক্কা ও মদিনার পরশে সময় কাটাতে চান, তাদের জন্য এখন থেকেই ছুটি, অর্থ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় গুছিয়ে নেওয়া উচিত।
আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ রমজান শুরু হতে পারে। বাকি মাত্র ১২০ দিন। আসন্ন রমজান কেবল উপবাসের মাস নয়, এটি জীবনের গতিপথ বদলানোর এক মোক্ষম সুযোগ। এই সুযোগকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে ১২০ দিন আগের এই সময়টি অত্যন্ত মূল্যবান।
জীবনের হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে নেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়, যাতে রমজান এলে আমরা শুধু রুটিনমাফিক কাজ না করে প্রকৃত আত্মিক প্রশান্তি ও মুক্তির সুবাতাস অনুভব করতে পারি।
