শহরের ঘোপ জেল রোডে সোহাগ অটোর অনুমোদন বিহীন অটো রিকশা তৈরির অবৈধ কারখানাটি এখনো পর্যন্ত বন্ধ হয়নি। সোহাগ অটোর দোকানের উত্তর পাশে কদম রসুলের বাড়ির গলির ভিতর ডান পাশে এই কারখানা স্থাপন করা হয়েছে।
প্রতিদিনই অনুমোদন বিহীন অবৈধ এই কারখানায় ডজন ডজন অটো তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে শহরের যেমন যানজট সৃষ্টি হচ্ছে তেমন সরকারও মোটা অংকের টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। সোহাগ অটোর অনুমোদন বিহীন অটো রিকশা তৈরির অবৈধ কারখানা নিয়ে কয়েকটি দৈনিক পত্রিকাসহ অনলাইন নিউজ পোর্টালে একাধিক নিউজ প্রকাশিত হলেও প্রশাসনের কোন দায় নেই। প্রশাসন জেগে ঘুমালেও প্রশাসনের নাকের ডগায় সোহাগ তার অবৈধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
অনুমোদনবিহীন ও অবৈধ অটো রিকশা তৈরির কারখানার বিরুদ্ধে সাধারণত বেশ কিছু কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু প্রশাসন সেদিকে হাটছে না। প্রশাসন নতজানু নীতি অনুসরন করছে বলে প্রচার রয়েছে।
প্রচলিত আইন অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করে অবৈধ কারখানার কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া এবং ভবন বা প্রাঙ্গণটি সিলগালা করার আইন রয়েছে।
জরিমানা ও কারাদণ্ড-: ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন’, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইন’ এবং ‘ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন’ লঙ্ঘনের দায়ে কারখানার মালিককে মোটা অঙ্কের জরিমানা এবং অনাদায়ে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেওয়ার বিধান রয়েছে।
মালামাল ও যন্ত্রপাতি বাজেয়াপ্ত: অবৈধভাবে তৈরি করা অটো রিকশা, যন্ত্রাংশ এবং রিকশা তৈরির ভারী যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম প্রশাসন জব্দ বা বাজেয়াপ্ত করতে পারে।
ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন: কারখানার অবৈধ বিদ্যুৎ, গ্যাস বা পানির সংযোগ থাকলে তা তাৎক্ষণিক ভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ারও প্রচলিত নিয়ম রয়েছে।
নিয়মিত মামলা দায়ের: কারখানার মালিক বা জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত ফৌজদারি মামলা দায়ের করার আইন আছে।
অথচ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোর কেউই সোহাগ অটোর অনুমোদন বিহীন অবৈধ অটো রিকশা তৈরির কারখানার বিরুদ্ধে উল্লেখিত কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করছে না। অভিযোগ উঠেছে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলো সোহাগ অটোর স্বত্তাধিকারি সোহাগের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা উৎকোচ নিয়ে অনুমোদন বিহীন অবৈধ অটো রিকশা তৈরির কারখানা পরিচালনা করতে সহযোগিতা করছে। এ বিষয়ে কথা বলতে এ ডিসি জেনারেল সুজন সরকারে ০১৩১৮২৫২৯০১ নম্বর মোবাইলে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেননি।


