মুলাদীতে শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

মুলাদীতে শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের ঝুলন্ত  মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

১ November ২০২৬ Sunday ৮:১০:২৯ PM

Print this E-mail this


মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি:

মুলাদীতে শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের ঝুলন্ত  মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

বরিশালের মুলাদীতে শ্বশুরবাড়ি থেকে মহিম হোসেন (২২) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ডিক্রীরচর খেয়াঘাটের পশ্চিম পাড়ে সোহেল কাজীর বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মহিম বরিশালের কাশিপুর এলাকার ইছাকাঠি গ্রামের মো. মনির হোসেনের ছেলে। তাঁর পরিবারের দাবি, মহিমকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোবাইল ফোনে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্কের পর প্রায় এক বছর আগে ডিক্রীরচর গ্রামের সোহেল কাজীর মেয়ে সোহানাকে বিয়ে করেন মহিম। বিয়ের পর থেকে তিনি শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন। রাজমিস্ত্রির সহকারী ও ব্যাটারিচালিত ভ্যান চালানোসহ বিভিন্ন কাজ করে সংসার চালাতেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, মোবাইল ফোনে টিকটক ব্যবহার ও অন্যদের সঙ্গে কথা বলা নিয়ে স্ত্রীর প্রতি মহিমের আপত্তি ছিল। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। আজ সকালে কাজে বের হওয়ার আগে ওই দম্পতির মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এরপর মহিম কাজে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করেন। পরে সকাল ১০টার দিকে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মহিমের স্ত্রী সোহানা বেগম জানান, সকালে স্বামীর সঙ্গে কথাকাটাকাটির পর তিনি রান্না করতে যান। রান্না শেষে ১০টার দিকে স্বামীকে খেতে ডাকতে গিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তাঁর চিৎকারে বাড়ির ও আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে তাঁরা থানায় খবর দেন।

অন্যদিকে মহিমের ফুফু কাজল বেগমের অভিযোগ, স্ত্রীর টিকটক ব্যবহার ও মোবাইলে কথা বলায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মহিমকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁরা আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলেও জানান তিনি।

মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

Explore More Districts